Monday, 19 July 2021
Saturday, 5 June 2021
চেনা সবুজের মধ্যে দিয়ে অচেনা কে চিনে নেওয়া
আমার permanent address এ সবসময় থাকে vill + post Raghudevbati , Dist Howrah , Nalpur . আমি যে তথাকথিত শহুরে নয়, বরং ভীষণ ই এক গ্রাম্য পরিবেশ এ বড় হয়ে ওঠা একজন মানুষ , একথা ভাবতে এবং বলতে আমার খুব ভালোও লাগে গর্ব ও হয়। শিকড় আলগা করে দিলে সে গাছ যে একদিন ঝড়ে পরেই যায়। তাই পৃথিবীর যেখানেই থাকি সে দিল্লি ই হোক বা ওয়ার্ল্ড/স বেস্ট সিটি তেই হোক খুঁজে ফিরি আমার গ্রাম বাংলার সেই সবুজকে, বৃষ্টি ভেজা গাছের পাতা এখানেও এক ই ভাবে ঝিকমিক করে, চাঁদের আলো কিন্তু এখানেও ওই রকম ই নরম হয়ে পড়ে। নিউ ইয়র্ক এর ক্রিস ক্রস রাস্তা গুলো আমার খুব ভালো লাগে, হারানর ভয় নেই, কেমন যেন যে পাড়া টা দিয়ে অত্রীদের কাছে ফিজিক্স পড়তে যেতাম সেরকম লাগে যখন ই আমি ম্যানহাটান এর এই ৮থ এভিনিউ এর দিকে আসি, কেমন চুপচাপ। এখানের তুলনায় কিছুটা নিচু বিল্ডিং, এগুলোকে নাকি ফ্লেমিংগো স্টাইল এর বিল্ডিং বলে, কিজানি কেন বলে।
চেনা সবুজের মধ্যে দিয়ে অচেনা কে চিনে নেওয়া
কিছুদিন আগে লোটাকম্বল পড়ছিলাম, সেখানেই এই ওয়েস্ট ম্যানহাটান এর একটা বাড়ির এক ঘটনার কথা বলা আছে, দেখতে দেখতে যাচ্ছি, কিছুইনা কখন চোখে পড়ে যায়, আর মেলাতে শুরু করবো হয়তো কত বছর আগের কোনো ঘটনাকে। মানুষ চলে যায়, রেখে যায় তার কীর্তি, ঐতিহ্য বহন করে থাকা কিছু সাক্ষী। নতুন প্রজন্ম আসে, এভাবেই এক প্রদীপ থেকে আর এক প্রদীপ জ্বলতে থাকে। দেখতে দেখতে যাচ্ছি, বিশ্ব যুদ্ধের সময়ের পুরোনো বিল্ডিং কত, আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা হয়তো কত অজানা কাহিনী। যত্নে কোথাও অযত্নে রক্ষিত ফুলের ঝাড়। আর এই হলো এক ভীষণ চেনা ছবি। এগুলো হলো আমার খুব প্রিয় আর চেনা সেই পাখি, দিল্লিতে যারা ছিল নিত্যসঙ্গী, ঠাকুমার মতো করে গুটিগুটি হাঁটা আর নেচে নেচে ঘুরে ঘুরে দানা পাতি খাওয়া।
Monday, 14 December 2020
হটাৎ কখন এলোমেলো বৃষ্টি এলো আকাশ জুড়ে ,
হটাৎ কখন বাঁধভাঙা সেই কান্না এলোই কেমন করে ;
আটকে রাখা পাগল আমি ;
বাঁধ ভাঙলেই পাগল পারা।
ভুল করে আজ আবার তাকাই ,
না হাঁটা পথ ঝরাপাতায়।
সময় গেছে বদলে অনেক, যাবেও জানি আরো কিছু
তবুও আমি থেকেই গেলাম পুরোনো আমি আর অনেক অবুঝ।
আমাদের সেই রূপকথাদের বুকের মাঝে আগলে রেখে,
রইলো তোমার সোনাঝুরি, পথ পাহারায় একলা বসে
চাঁদের আলোয় শীতের রাতের নিঝুম তারা দেখবে ? এসে?
Saturday, 21 November 2020
Saturday, 26 September 2020
বার্তা
Sunday, 19 July 2020
উত্থান
হয়তো তাই জন্যেই কখনো কখনো যখন মন সত্যি ই লাগাম ছাড়া হতে চেয়েছে, চেয়েছে সমস্ত ঠিক ভুল এর চিন্তা বিসর্জন দিয়ে আত্ম সম্পর্পন, তখন ও ওই ভালোলাগার গভীর সুপ্তি থেকে নিজেকে বেদনার্ত জায়গায় উত্থিত করে আনতে পেরেছি।
জানিনা, এই জীবন আমাকে কিভাবে কি দেবে, কি এর মানে, কি এর পথ, তবুও সন্ধ্যে পেরিয়ে রাত্রির আলিঙ্গনে আমাদের দিন যখন খুঁজছে নিজের আশ্রয়, করছে সমস্ত দিনের হিসেব , এমন সময়ে , এই চন্দন এর গন্ধে আমাদের ওখানের দখিনা হাওয়ার মতো এলোমেলো হাওয়াতে আমার মন হয়ে চলেছে উদ্বেল। তখন আবার আমি নিজেকে খুঁজলাম ওই রবীন্দ্র সৃষ্টির মাঝে। আজ অনেক দিন পরে লিখতে বসলাম কিছু। সৃষ্টির আনন্দে স্রষ্টার যে আনন্দ, সে আনন্দ অসীম, অক্ষয়। সে যা কিছুই সৃষ্টি হোকনা কেন। যত তুচ্ছ, যত মহৎ ই হোকনা কেন, তবু সে ভীষণ নিজের। আপন মহিমায় মহিমান্বিত। আমরা এক খুব অন্যরকম সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি, পাওয়া না পাওয়া, চাওয়া , ইচ্ছে, এই সমস্ত শব্দ এখন কিরকম যেন থমকে গিয়ে অপেক্ষার মোড়কে নিজেদের বন্দি করেছে। মাঝেমাঝে কেমন যেন ক্লান্ত লাগে, মনে হয়, থাক , আর কিছু ভাববোনা। সমস্ত পৃথিবীর মতন আমিও নিজেকে সকল ভাবনা থেকে বিরাম দি। এমনিতেই সব কিছু কত ভঙ্গুর , কত ক্ষণস্থায়ী, কালকে যা ছিল, আজ তা নেই। কালকের ইমোশন আজ হয়তো অর্থহীন। আবার আজকের অর্থহীনতা আগামী দিনে হয়তো অর্থ পূর্ণ হয়ে সামনে এসে দাঁড়াবে, হতেই পারে। আমি যখন আমার সব থেকে কাছের মানুষ, আমার বাবাকে হারালাম, আর তারপরেও জীবন থিম গেলোনা, তখন ই বুঝেছিলাম জীবন তার নিজস্ব গতিতে চলে। এ মহা বিশ্বের কোনো কিছুতেই কোনো কিছু হয়না। কারোর বিহনে কিছু থেমে যায়না। সেটাই সত্যি।
আমাদের কাজ হলো, জীবনের ওই গতিটাকে ধরতে পারা। তাকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলা। প্রতিটা দিন কিছু বলতে চায়, প্রতিটা দিনের নিজস্ব কিছু বার্তা থাকে, সেই বার্তা কে বুঝে নিয়ে এগিয়ে চলা। আর আজকের যা কিছু তাকে গ্রহণ করে আগামীর জন্যে নিজেকে প্রস্তুত করা। হে ঠাকুর আমাকে শক্তি দিও, আমি যেন সেই নক্ষত্রের পথ অবলম্বন করে চির শান্তির পথে নিজের লক্ষে স্থির থেকে এগিয়ে যেতে পারি। আমার সঙ্গে থেকো। বেদনা যেন আমার আনন্দ কে আবৃত না করে ফেলতে পারে। আর আমার আনন্দ যেন পার্থিব আর বস্তুত হয়ে গিয়ে নিজেকে গন্ডি তে আবদ্ধ না করে ফেলে। তা যেন আকাশের মতো উদার হয়, আর এই সকল সৃষ্টি রস এ নিমজ্জিত থাকে।
কোথাও দুঃখ, কোথাও মৃত্যু, কোথা বিচ্ছেদ নাই
তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে যত দূরে আমি ধাই
তোমা হতে যবে হইয়ে বিমুখ আপনার পানে চাই
তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে যত দূরে আমি ধাই
নাই নাই ভয়, সে শুধু আমারই, নিশিদিন কাঁদি তাই
অন্তরগ্লানি, সংসারভার, পলক ফেলিতে কোথা একাকার
জীবনের মাঝে স্বরূপ তোমার রাখিবারে যদি পাই
তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে যত দূরে আমি ধাই
তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে যত দূরে আমি ধাই"
Tuesday, 14 July 2020
এই গন্ধসলিলা সুখ রজনী
Thursday, 11 June 2020
Monday, 4 May 2020
Saturday, 2 May 2020
রাজকন্যের আবদারে
রূপকথার ই মতন
এক যে ছিল রাজা রানী
হীরে মানিক রতন
হীরে মানিক তুচ্ছ মা রে,
আজ আছে কাল নেই
ছিল তাদের এমন কিছু
যার কোনো ক্ষয় নেই।
পাহাড় ঘেরা ছোট্ট পুরী ,
বাগান ভরা ফুল।
জল টলমল দীঘি কত
ফুটেছে কমল।
রাজা রানী রাজকন্যে
রাজ্য ভরা প্রজা
সুখী জীবন,আচার ব্যাভার
সুস্থ এবং সোজা।
ভোরের বেলা হাজার পাখি
কোন সুরে গায় গান ,
রাজার সাথে রাজকন্যে
মোহিত হয়ে যান।
ছোট্ট মেয়ে হচ্ছে বড়
শিখছে কিছু কত,
দেখছে যা , জানছে আরো
প্রশ্ন আরো শত।
কোন পাখি , তার নাম কি
গায়ের কেমন রং ,
কেমন করে তাকায় দেখো
বসার কতই ঢং।
আকাশ কখন তারায় ভরা ,
কখনো রোদ ঝলমল।
কখন নদী শুকিয়ে যায় ,
আবার কখনো জল টলমল।
রাজা শেখায় রাজকন্যেকে ,
এসব কিছুর নাম।
ঋতু কত, ফসল কত ,
ফল এর কোথায় কি ধাম।
সব কিছু শেখো মাগো,
হও অনেক বড়
প্রকৃতির মাঝে মানুষ হয়ে
নিজেকে তৈরি করো।
রাজকন্যে বুদ্ধিমতী
শিষ্টাচারে ভরা ,
পিতার কথা মতন
শুরু করলো নিজেকে গড়া।
নিজের কাজ নিজে করে,
গুছিয়ে খেতে বসে,
বাগান করে, গাছ পাখি
আর সবাইকে ভালোবাসে।
পশু পাখি কাঠবেড়ালি
বন্ধু সবাই তার ,
জোরে কথা বলেনা সে,
কখনো করেনা মুখভার।
গুরুজনকে মান্য করে,
ছোটদের কে ভালো ,
এইভাবেই রাজকন্যে
রাজার ঘর করলো আলো।
প্রজা পরিষদ,
সবাই বলে অহ ধন্য ধন্য।
যা কিছু ভালো আমাদের সব ই যে
আমাদের রাজকুমারীর জন্য।
হীরে নয়, মানিক নয়,
আসল রতন মন।
সব কিছু দেখে শিখে, ভালোবেসে
যদি সবাইকে করতে পারো যতন।
যেন তবেই তুমি সব পেয়েছো
হয়েছো ঠিক রাজকন্যে,
চারপাশে সব সাজানো আছে,
শিখে নাও মা, এসব তোমার ই জন্যে।
এইভাবে রাজার কাছে দিন কেটে যায় তার,
সুখী পরিবার, সুখী গৃহকোণ, সোনার সংসার।
বাইরে ঝলমলে রোদ্দুর ভরা একটা দিন , ভীষণ নীল আকাশ। আমার বাড়ির সামনের ম্যাপল গাছের পাতা প্রায় সব ই ঝরে পড়ে গেছে। দুদিনের জন্যে এত সৌন্দর্য্য ন...
-
আমি বোকা, আমি গর্দভ আর সত্যি ই তো চিরকাল ই বোকারা ভালবাসে, আঘাত পায়। সহজ কথা সহজ ভাবে চলা যদি ভুল হয় তো ভুল, কিন্তু তার কারণে আমি বাঁকা পথে...
-
আজ নাহয় বৃষ্টি নামুক ভাঙ্গুক নীরবতা - আজ নাহয় পাগল হাওয়ায় , হোক মাতাল কেবল রক্তনীল 'অপরাজিতা'. আজ নাহয় বাঁধন খুলুক , ভাসুক তরী...
-
দেখতে দেখতে পুজোর চারটে দিন কেটে গেলো।পুজোর এই চারটে দিন কেন প্রায় আগে পিছে করে মাসখানেক বেশ বিপজ্জনক। হিংসুটে আমি মাঝেমাঝেই কাজ ফেলে facebo...