Wednesday, 12 August 2026

ভালোবাসা খোঁজে নিরাপত্তা- ওয়েন ও মজির অসম্ভব বন্ধুত্বের গল্প

ওয়েন ও মজির গল্প: কেনিয়ার এক ছোট জলহস্তী ও এক বৃদ্ধ কচ্ছপের অসাধারণ বন্ধুত্ব

দুর্যোগ 

২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর, ভারত মহাসাগরের গভীরে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্টি হয় এক ভয়াবহ সুনামি। এই সুনামির ঢেউ এশিয়া ও আফ্রিকার বহু উপকূলীয় অঞ্চল ধ্বংস করে দেয়। মানুষের পাশাপাশি অসংখ্য প্রাণীও এই বিপর্যয়ের শিকার হয়। কেনিয়ার উপকূলের কাছে সাবাকি নদীর (Sabaki River) অঞ্চলে একটি ছোট জলহস্তী তার পরিবারের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তখন তার বয়স ছিল মাত্র কয়েক মাস। প্রচণ্ড ঢেউ তাকে তার মা এবং দলের থেকে দূরে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সে একটি ছোট প্রবাল প্রাচীরের কাছে আটকে পড়ে। ভীত, ক্লান্ত এবং একা সেই ছোট্ট জলহস্তীটি তখন সম্পূর্ণ অসহায় ছিল। স্থানীয় মানুষ তাকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। কিন্তু ভয় পেয়ে যাওয়া ছোট জলহস্তীটিকে বাঁচানো সহজ ছিল না। অনেক চেষ্টার পর অবশেষে উদ্ধারকারীরা তাকে নিরাপদে তীরে নিয়ে আসেন। তার নাম রাখা হয় ওয়েন, একজন উদ্ধারকারীর নাম অনুসারে। কিন্তু ওয়েনের জীবনের সবচেয়ে বড় ক্ষত তখনও রয়ে গিয়েছিল—সে তার মা এবং নিজের পরিবারের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।

হ্যালার পার্কে নতুন জীবন

ওয়েন কে নিয়ে যাওয়া হয় কেনিয়ার মোম্বাসার কাছে অবস্থিত হ্যালার পার্ক (Haller Park) নামের একটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রে। সেখানকার কর্মীরা জানতেন যে একটি ছোট জলহস্তীর জীবনে মায়ের ভূমিকা কত গুরুত্বপূর্ণ। জলহস্তীরা খুব সামাজিক প্রাণী। ছোট জলহস্তীরা তাদের মায়ের কাছ থেকে নিরাপত্তা, আচরণ এবং বেঁচে থাকার শিক্ষা পায়। কিন্তু ওয়েনের জন্য সেখানে কোনো ছোট জলহস্তী ছিল না। তারপর ঘটল এক অদ্ভুত ঘটনা। হ্যালার পার্কে বাস করত একটি বিশালাকার আলদাব্রা দৈত্যাকার কচ্ছপ, যার নাম ছিল মজি। মজির বয়স ছিল প্রায় ১৩০ বছর। সোয়াহিলি ভাষায় Mzee শব্দের অর্থ হলো "বৃদ্ধ মানুষ" বা "প্রবীণ"। সে ছিল শান্ত, ধীরগতির এবং একাকী জীবনযাপনে অভ্যস্ত। অন্যদিকে ওয়েন ছিল ছোট, চঞ্চল এবং সদ্য পরিবার হারানো একটি শিশু। আকৃতি , প্রকৃতি, স্বভাব, বয়স, জৈবিক কোনো মিলই তাদের মধ্যে ছিল না।

কিন্তু প্রকৃতি কখনও কখনও এমন সম্পর্ক তৈরি করে, যা কেউ কল্পনাও করতে পারে না।

যখন প্রথমবার ওয়েনকে মজির কাছে নিয়ে যাওয়া হলো, সে অবাক করার মতোভাবে সরাসরি মজির কাছে চলে গেল। সে মজির পাশে দাঁড়াতে শুরু করল। মজিকে অনুসরণ করতে লাগল। তার কাছেই ঘুমাতে লাগল। পরিচর্যাকারীরা বিস্মিত হয়ে দেখলেন, ছোট জলহস্তীটি যেন এই বৃদ্ধ কচ্ছপের মধ্যেই তার হারিয়ে যাওয়া মায়ের নিরাপত্তা খুঁজে পাচ্ছে।

আসলে ওয়েন তখন বুঝত না যে মজি অন্য প্রজাতির প্রাণী।শিশুরা হয় এ পৃথিবীর সবথেকে সুন্দর , সবথেকে পবিত্র সৃষ্টি। তারা ভালোবাসা অন্য কোনো কিছু দিয়ে বিচার করতে যায়না। তারা তাকেই আঁকড়ে ধরে যার কাছে তারা নিরাপদ বোধ করে। মজির মনে কি চলেছিল কেন সে ওই বৃদ্ধ কচ্ছপ এর কাছে থাকতে শুরু করেছিল এর উত্তর আমার জানা নেই। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, ওয়েন হয়তো মজিকে তার মায়ের মতো ভেবেছিল। কারণ মজির বড় শরীর, শান্ত স্বভাব এবং নিরাপদ উপস্থিতি ওয়েনকে তার হারানো পরিবারের কথা মনে করিয়ে দিয়েছিল।সে হয়তো শুধু বোধ করেছিল, "এর পাশে থাকলে আমি নিরাপদ অনুভব করি।"

এক অসম্ভব বন্ধুত্ব

ধীরে ধীরে মজিও ওয়েনকে গ্রহণ করে নিল। তাদের দেখা যেত একসঙ্গে হাঁটতে, একসঙ্গে বিশ্রাম নিতে, পাশাপাশি ঘুমাতে, একে অপরের কাছাকাছি থাকতে। ওয়েন মাঝে মাঝে মজির গায়ে মাথা ঘষত বা তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকত। আর ধীর, শান্ত স্বভাবের মজি যেন তার এই ছোট্ট বন্ধুর উপস্থিতিতে অভ্যস্ত হয়ে গেল । দর্শনার্থীরা হ্যালার পার্কে এসে অবাক হয়ে দেখতেন—একটি বিশাল শিশুসুলভ জলহস্তী একটি বৃদ্ধ কচ্ছপের পিছনে পিছনে ঘুরছে, যেন তারা একই পরিবারের সদস্য। তাদের ছবি সংবাদপত্র, টেলিভিশন এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। লক্ষ লক্ষ মানুষ এই গল্পে আবেগাপ্লুত হয়েছিলেন, কারণ এটি শুধু প্রাণীদের গল্প ছিল না—এটি ছিল এক অপূর্ব প্রাপ্তির গল্প , হারিয়ে পাওয়ার মতন ভালোবাসা। জীবন যে ভালোবাসা ছাড়া চলেনা। আর ভালোবাসা আসে সেখানেই যেখানে নিরাপত্তা বোধ থাকে। যেখানে এলে অস্বস্তি নয়, স্বস্তিতে শ্বাস নেওয়া যায়। ভালোবাসা হলো সেই স্পেস যেখানে অন্যজনের সাহচর্যে মানুষ আসলে নিজেকেই খুঁজে পায়। শিশুকাল হচ্ছে সবথেকে স্পন্টেনিয়াস এক সময়। মনের ওপরে তখনো চারপাশের প্রভাব পড়তে শুরু করেনা। ছোট্ট প্রাণ আপনা হতেই যায় সেখানে যেখানে সে স্বচ্ছন্দ। বৈজ্ঞানিকভাবে দেখলে, ওয়েন এবং মজির সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত অস্বাভাবিক। জলহস্তীরা সাধারণত নিজেদের প্রজাতির মধ্যেই সামাজিক বন্ধন তৈরি করে। একটি কচ্ছপ কোনোভাবেই একটি জলহস্তীর মায়ের বিকল্প হতে পারে না। কিন্তু ওয়েন তার সঙ্গেই থাকতে শুরু করে যার কাছে সে স্বচ্ছন্দ। আর তার এই ইন্নোসেন্ট ভালোবাসার স্রোতে মজির মতন বৃদ্ধ কচ্ছপের্ পা মেলাতেও বিলম্ব হয়নি।  স্নেহ যে নিম্নগামী।  তার চরিত্রই হচ্ছে বয়ে চলা। এই ছোট জলহস্তী এবং একটি বৃদ্ধ কচ্ছপ প্রমাণ করেছিল যে বন্ধুত্বের জন্য একই রকম হওয়ার প্রয়োজন নেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওয়েন বড় হতে লাগল। একটি পূর্ণবয়স্ক জলহস্তী অনেক বড় এবং শক্তিশালী হয়। তাই আকৃতিগত ভাবে তার থেকে অনেক ছোট মজির জন্য তার সঙ্গে থাকা নিরাপদ ছিল না। পরিচর্যাকারীরা ধীরে ধীরে ওয়েনকে অন্য জলহস্তীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন, যাতে সে নিজের প্রজাতির সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে। পরে ওয়েন একটি স্ত্রী জলহস্তী ক্লিও (Cleo)-র সঙ্গে বন্ধুত্ব তৈরি করে এবং নিজেদের স্বাভাবিক জীবনাবর্তে চলতে শুরু করে। 

ওয়েন ও মজি আর আগের মতো সবসময় একসঙ্গে থাকেনি, কিন্তু তাদের বন্ধুত্বের গল্প মানুষের মনে চিরকাল থেকে গেছে।

🔻 Savfk - Journey To The Stars is under a YouTube Free license.    / savfkmusic   Music powered by BreakingCopyright:    • ⭐ Copyright Free Epic Music - "Journey To ...   🔎 Find more music here: https://breakingcopyright.com 🔺



Wednesday, 5 August 2026

GOd Help them who help themselves . ভগবান তাকেই সাহায্য করে, যে নিজে নিজেকে সাহায্য করে

 আমাদের জীবনে অনেক রকম phase আসে। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রত্যেক মুহূর্তের নিজস্ব কিছু কারণ থাকে, কিছু purpose যা অনেক পরে আমরা বুঝতে পারি। কখনো পারি আবার কখনো হয়তো পারিনা , কিন্তু থাকে। আজ শুনবো এমন একজনের কাহিনী, যাঁর তৈরি চরিত্র আজ আমাদের সবার চেনা, কিন্তু এই মানুষটি ই একসময় দীর্ঘ সময় ধরে clinical ডিপ্রেশন এর মধ্যে দিয়ে চলেছিলেন। একাকী। শুধু যে নিজে একা চলছিলেন তাই নয়, এই াক চলার সময় তাঁর ওপরে ছিল আরো এক ছোট্ট মানুষের দায়িত্ব। তাঁর মেয়ে। যে এতই ছোট্ট যে এই পৃথিবীতে শুধুই তার মাকে চেনে। এমন অবস্থায় কি করলেন তিনি? ঘুরে দাঁড়ালেন। পৃথিবী আর একবার প্রমান করলো সেই বিখ্যাত উক্তি কে , GOd Help them who help themselves . ভগবান তাকেই সাহায্য করে, যে নিজে নিজেকে সাহায্য করে।  আজ শুনবো হ্যারি পটার এর স্রষ্টা J K Rowling এর জীবনের সেই কাহিনী। Rowling বড় হয়েছিলেন England -Wales boarder এর এক ছোট্ট গ্রামে। ছোট থেকেই তাঁর লেখার শখ ছিল। ৬ বছর বয়সে Rabbit বলে এক ছোট্ট খরগোশের গল্প দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু , পরে তাঁর ১১ বছরে তিনি প্রথম নভেল লেখেন। এর পরে তিনি ফ্রেঞ্চ নিয়ে পড়াশুনো করেন। ১৯৯০ সালে তাঁর মায়ের মৃত্যুর পরে তিনি পর্তুগাল এ চলে যান। তিনি বিয়ে করেন ও তাঁর মেয়ে জেসিকার জন্ম হয় সেখানেই। তাঁর সেই বিবাহ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বিচ্ছেদের পর তিনি ছোট মেয়েকে নিয়ে আবার ইংল্যান্ডের edinghbara শহরে ফিরে আসেন। এই সময়ে তিনি এক ভয়ঙ্কর কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছিলেন। চাকরি ছিলোনা, অর্থনৈতিক কষ্ট, এছাড়া আমরা যাঁরা মা তাঁরা জানি একজন ছোট্ট মানুষ কে বড় করা খুব সহজ কথা নয় আর সেখানে একা হাতে একজন সিঙ্গেল mother হয়ে তাকে baro করা যে কতটা কঠিন তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। মানসিক ভাবে তিনি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। দীর্ঘ না ঘুম, প্যারেন্টিং এর অবিছেদ্ধ্য অঙ্গ রাত জাগা , সঙ্গে ভীষণ একাকিত্ব, তার সঙ্গে লণ্ডন এর মারাত্মক শীতল , গ্লুমি weather , একাকী ঘরে ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে তিনি ক্রমশ ডুবে যাচ্ছিলেন অবসাদের অন্ধকারে।  এমন ই একসময়, একদিন ম্যানচেস্টার থেকে লন্ডন যাওয়ার রাস্তায় ট্রেনে তাঁর মাথায় আসে হ্যারি - এলোমেলো কালো চুল এর , গোল চশমা পড়া,  কপালে বজ্রপাতের মতো দাগ থাকা , এক ভীষণ লোনলি এক শিশু, যে হটাৎ জানতে পারে সে আসলে একজন জাদুকর। তাঁর কাছে তখন কোনো কাগজ কলম ছিলোনা, আর লজ্জায় তিনি কাউকে চাইতেও পারেননি তখন তা, শুধু নিজের ভাবনার স্রোতে নিজেকে ছেড়ে দিয়েছিলেন, একের পর এক মনের মধ্যে তৈরি হয়েছে  চরিত্রগুলো—হ্যারি, রন, হারমায়োনি, তাঁদের স্বভাব, বন্ধুত্ব, হগওয়ার্টসের পুরো জাদুর আশ্চর্ষ সে জগত। রাউলিং পরে বলেছিলেন, হ্যারি যেন হঠাৎ করেই তাঁর মনের মধ্যে এসে উপস্থিত হয়েছিল। তাঁর প্রথম দিনের প্রথম কিছু চরিত্র ন্যাপকিনের দেওয়ালেই প্রথম লিপিবদ্ধ হয়। এর পরের প্রায় পাঁচ বছর তিনি তাঁর সেই প্রিয় জাদুগরকে গড়ে তুলতে থাকেন, এক ছোট্ট একাকী শিশু যে সিঁড়ির কোণে থাকতো, একাকী , অন্ধকারে, সে নিজের ভেতরের অসীম ক্ষমতা উপলব্ধি করে কিভাবে ধীরে ধীরে একদিন খুঁজে পে তার পরিবার, গড়ে তুললো বন্ধুত্ব। ভয়ের বদলে সাহস এর লড়াই, ক্ষমতার বদলে ভালোবাসার শক্তি দিয়ে গড়েউঠলো তার চারপাশের জগৎ। পরবর্তী কালে তিনি বলেছিলেন, সেই সময় তাঁর জীবন ছিল খুব কঠিন, কিন্তু লেখালেখি তাঁকে আশা ও বেঁচে থাকার শক্তি দিয়েছিল।ঠান্ডা ঘরের একাকী অন্ধকার থেকে পালিয়ে দিনের অনেক সময় কখনো  তিনি ক্যাফেতে বসে হ্যারি পটার লিখতেন, আর তাঁর ছোট মেয়ে পাশের স্ট্রলারে ঘুমাত। এই সময়ের সঙ্গে জড়িত একটি বিখ্যাত স্থান হলো The Elephant House, যেখানে তিনি হ্যারি পটারের প্রথম দিকের বেশ কিছু অংশ লিখেছিলেন।

১৯৯৫ সালে তাঁর প্রথম বই Harry Potter and the Philosopher's Stone এর পাণ্ডুলিপি শেষ করার পর রাউলিং বিভিন্ন প্রকাশকের কাছে সেটি পাঠান। কিন্তু বারবার প্রত্যাখ্যাত হন। প্রায় এক ডজন প্রকাশক তাঁর লেখা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। অবশেষে Bloomsbury Publishing বইটি প্রকাশ করতে রাজি হয়। কথিত আছে, প্রকাশনা সংস্থার পরিচালকের ছোট মেয়ে প্রথম কয়েকটি অধ্যায় পড়ে এতটাই পছন্দ করেছিল যে সে বইটি প্রকাশ করার জন্য উৎসাহ দেয়। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম বই: Harry Potter and the Philosopher's Stone. তাঁর আসল নাম J Rowling , K  তাঁর দিদিমায়ের নামে। এই পিতৃতান্ত্রিক সমাজে পাবলিশার্স রা কিছুটা সন্দিহান ছিলেন এই নিয়ে যে একজন মহিলা লেখিকার লেখা গল্প যুবক সমাজে সমাদৃত হবে কিনা। তাঁরা অনুরোধ করেন তাঁকে তাঁর নিজের নাম Joanna ব্যবহার না করে নামের ইনিশিয়ালস ব্যবহার করাতে , তাই তিনি J K লিখতে শুরু করেন।

হ্যারি পটার এর সৃষ্টি ও তাঁর স্রষ্টার অপূর্ব দৃষ্টান্ত আমাদের সামনে তুলে ধরে ভেঙে না পড়ার এক অমোঘ কাহিনী। শেখায়, জীবনে বড় কিছু করতে গেলে ছোটোখাটো কষ্ট নিয়ে অভিযোগ না করে তাকে উপেক্ষা করতে হয়। নিজেকে নিয়োজিত করতে হয় এমন কিছুতে যাতে তুমি সবচেয়ে ভালো আর সবচেয়ে ভালো থাকো। কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়েই হয়তো বড় সৃজনশীলতার ভীত লুকিয়ে থাকে। যা সহযেই করা যায়, পাওয়া যায়, যার মধ্যে কোনো চ্যালেঞ্জ থাকেনা, তা অনেক সময় ই বড় কিছু পেতেও দেয়না। rouling ভেঙে পড়তে পারতেন তাঁর জীবনের কঠিন সময়ে। কোনোরকমে মেয়েকে বড় করতে করতে আজীবন নিজের ভাগ্যকে দোষারোপ আর আক্ষেপ করতেই পারতেন। কিন্তু তিনি তাই নিয়ে থেমে থাকেননি , অভিযোগ করলেই শুনবেই বা কে সে অভিযোগ। অভিযোগ না করে , নিজেকে টেনে বের করে এনেছেন নিজেই। হ্যারি পটার লেখার পরে প্রায় গোটা পৃথিবী জুড়ে প্রায় কয়েকশো মিলিয়ন কপি বিক্রি হয় এই বই এর। এই লেখা ইতিহাসে এক সফল সাহিত্যকর্ম। লক্ষ লক্ষ মানুষ তাঁর গল্পে সাহস, আশা এবং সান্ত্বনা খুঁজে পেয়েছে। হ্যারি পটার এমন একজন মানুষের সৃষ্টি, যিনি নিজে একাকীত্ব ও কষ্টের স্বাদ পেয়েছিলেন। আর সেই কারণেই তিনি এমন একটি জগত তৈরি করেছিলেন, যেখানে কোনো শিশুকে কখনও সম্পূর্ণ একা মনে হয় না। হ্যারি পটার গল্পের শুরু হয় এমন একটি শিশু নিয়ে, যাকে কেউ ভালোবাসত না এবং যে সিঁড়ির নিচে ছোট একটি অন্ধকার ঘরে থাকত। কিন্তু পরে সে আবিষ্কার করে যে তার নিজের একটি মূল্য আছে, তারও একটি জায়গা আছে পৃথিবীতে।আর এই অনুভূতি ই বিশ্বের মন জয় করে নিয়েছিল। একজন প্রত্যাখ্যাত, সংগ্রামী লেখিকার কল্পনা শেষ পর্যন্ত পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের জন্য আশার আলো হয়ে উঠেছিল। যখন কঠিন পরিস্তিতি আসে, তখন অনেক সময় ই আমাদের মনে হয় ইসঃ, বেশ ম্যাজিক হতো কিছু একটা আমাদের জীবনে। কিন্তু জাদুর ছড়ি হাতে উঠে আসেনা। ম্যাজিক আসলে হয়না , সেই সব ম্যাজিক আসলে লুকিয়ে থাকে, আমাদের ই মধ্যে। আমাদের মননে, কর্মে, প্রতিফলিত হয় সেই জাদুর ছড়ি। যত beautifully  আর gracefully আমরা আমাদের চারপাশের সমস্ত জটিলতাকে সমাধান করতে পারি, তত বড় জাদুকর হয়ে উঠতে পারি আমরা। লেটস ওয়েলকাম this ম্যাজিক ওয়ার্ল্ড। 





Friday, 31 July 2026

চেনা গন্ধ

weekdays এর সকালের স্নান টা হয় ভীষণ তাড়াতাড়ি। কিছুটা যেমন তেমন করে। আজ ও তেমন ই একটা তাড়াহুড়োর সকাল ছিল কিন্তু কি হলো হটাৎ একটা অদ্ভুত গন্ধ আমাকে অন্যভাবে আচ্ছন্ন করে ফেললো। ওই টুকু সময়, সেই আমার রোজের এক ই cedar wood আর cypress এর bodywash , সেই চানের জায়গা, এক ই শাওয়ার, curtain , এক ই সব। তাহলে হটাৎ কেন একটা অন্যরকম , অপূর্ব কিন্তু অচেনা নয়, একটা চেনা স্বচ্ছন্দ তা আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে চাইলো। কোনো কোনো গন্ধের সঙ্গে অপূর্ব ভাবে অনুভূতিরা জুড়ে থাকে। আমার সারা সকাল , ছেলেকে নিয়ে বেরোনো , ওকে দিয়ে আসা , সব কিছুর মধ্যেই সেই গন্ধটা কেমন যেন শান্ত হয়ে লেপ্টে রইলো। ফিরে এসে কফি মেশিন থেকে কালো কফি এর ড্রপ গুলো যখন নিচে রাখা আমার সাদা কাপ টা ভরছে, কালো কফির সেই গন্ধ আমাকে একটা লাইন মনে করালো , life is still sweet in bitter taste . সেই গন্ধ এই গন্ধ সকালের গন্ধ সবকিছু মিলেমিশে আমাকে যেন কোথায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাইলো। ডেস্ক এ বসলাম। বড্ডো অগোছালো লাগলো। অগোছালো টেবিল আমার ভালো লাগেনা। লেখার জায়গা থাকবে খালি, তাতে যেন আর কিছু না থাকে। একটা ছোট্ট পথোস। ল্যাপটপ। কাজের নোটবুক। খুললাম। আবার বন্ধ করলাম। সেই গন্ধ , আবার সেই গন্ধের অনুভূতি আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাইলো NBRC এর কুয়াশা ঘেরা সকালে, দিল্লির এক শান্ত ভোর এ ,  যখন সেই দৌড়ে দৌড়ে মেট্রো করে ঘেমে নেয়ে চান করে ভিড় মেট্রোতে একটু বসার জায়গার জন্যে অধীর অপেক্ষা করতে করতে হটাৎ বাইরে তাকাতাম আর হাতে ধরা মোবাইল এর দিকে বা এই তো সেদিন যখন। চেনা গন্ধ 

Thursday, 23 July 2026

তবু বিহঙ্গ, ওরে বিহঙ্গ মোর, এখনি, অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা

ঘটনার পরে ঘটনা। এক একটি করে ঘটনা ঘটে, প্রতিবাদএর ঝড় ওঠে, ফেইসবুক এ লেখালিখি, মোমবাতি নিয়ে হাঁটাহাঁটি। তারপরে, আবার সব থেমে যায়। আমরাও নিজেদের নিজেদের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। প্রশাসন ও বুঝে গেছে আজ যারা চিৎকার করছে কাল তারা থেমে যাবে। এদের প্রতিবাদ কে ইগনোর করে থাকা যায়। একজন সোনাম ওয়াংচুক মারা গেলে কি আর এমন হবে? কিছুই হবেনা। অশিক্ষা যেখানে চারিদিকের আকাশ কালো মেঘে ঢেকে দিয়েছে, সেখানে দিনের পর দিন তার তলায় থাকতে থাকতে ওই কালো মেঘ কেই সত্যি মনে হবে আর নীল আকাশ কে মনে হবে স্বপ্ন। আমরা নিউস চ্যানেল এ দেখবো এইরকম একজন প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্ব চলে যাচ্ছেন, আমরা দেখবো আর তারপরে আবার স্ক্রল করে অন্য কোনো খবরে চলে যাবো। আমাদের বাড়ির ছেলে তো আর NEET পরীক্ষার জন্যে মাথার ঘাম পায়ে ফেলছেনা ? একটার পর একটা পরীক্ষা বাতিলে ডিপ্রেশন এ চলে যাচ্ছেনা। তাহলে আমাদের আর কি।আমাদের কি বা করার আছে। আসলে ভেতর থেকে বদল না এলে কিছু হয়না। কিন্তু আজ্কের ভারতবর্ষ এর জনবিক্ষোভের চিত্র যেন সদম্ভে ঘোষনা করছে সেই সময় এর আর বেশি দেরি নেই। আজকের ভারতবর্ষ এর যুবসমাজ, শুভ চেতনা সম্পন্ন মানুষ যেন সগর্বে নিজের অস্তিত্ব ঘোষণা করছে। কত আইন করবে? কত লাঠিচার্জ করবে? বহুদিনের বহু ঘটনা, বহু চাপা দেওয়া পুঞ্জীভূত ক্রোধ একসঙ্গে বেরিয়ে আসছে।
একজন বিজ্ঞানীকে urgent medical care দেবার নাম করে illegally ডিটেনশন করানো হচ্ছে, কি মনে করে করানো হচ্ছে? যাতে ওই আন্দোলনের মেরুদন্ড ভেঙে দেওয়া যায়। you moron । সমাজ চিরকাল একরকম থাকেনা। এই সমাজেই এককালে সতীদাহ প্রথা ছিল। একদিনে বন্ধ হয়নি তা। বিধবা বিবাহ আইন পাশ হয়ে যাবার পরেও বিদ্যাসাগর মহাশয় কে ইঁট ছুঁড়ে মারা হয়েছিল। আমাদের সেই তলিয়ে যাওয়া সমাজ টাকে কিছু মানুষ নিজেদের চেতনার আলোতে অন্ধকার থেকে টেনে বার করে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন একসময়। সক্ষম হয়েছিলেন অন্ধকার থেকে নবজাগরণের পথে আনতে। কিন্তু তারপরে বহু বছর ধরে ধীরে ধীরে আবার এই সমাজ পিছন দিকে হাঁটতে শুরু করেছিল। রাজনৈতিক দল এসেছে গেছে, সবাই কম বেশি সেই ঘুন ধরা কাঠামোতেই আরো ঘুনপোকা বুনেছে। যন্তরমন্তর এর সামনে থাকা ওই ছেলে মেয়ে গুলোর ইচ্ছেশক্তি যেন চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আর বেশি দেরি নেই সেই জীর্ণতার ভেঙে পড়ার।
এই যুবসমাজ কেই আজকাল এদের দ্বারা কিস্যু হবেনা গোছের মন্তব্য করে থাকেন না একদল অতি ইন্টেলেকচুয়াল কিছু মানুষ! হ্যাঁ এই সেই কিস্যু হবেনা সমাজ , যাদের রীল এর দুনিয়া অন্ধ করে রাখতো। কারণ ছোট থেকেই বহু বাড়িতে বাচ্ছারা যখন বড় হয় , প্রত্যেক কথাতে আমরা তাদের শেখাই , প্রশ্ন করোনা। প্রশ্ন করলে মানেই তুমি অভদ্র, অবাধ্য। আর বড় হয়ে, পড়াশুনো করে, নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে যদি প্রশ্ন করো সঙ্গে সঙ্গে তোমাকে মনে করিয়ে দেওয়া হবে, "বিদ্যা দদাতি বিনয়ম", তুমি প্রশ্ন করলে মানে তুমি এক প্রচন্ড দুর্বিনীত ও অহংকারী মানুষ। অথচ ওই শ্লোকের সঙ্গে সঙ্গেই কেউ ভগবত গীতার সেই শ্লোক এর কথা তো বলেনা ? যা প্রশ্ন করতে শেখায়, প্রশ্ন করার কথা বলে, "তদ্ বিদ্ধি প্রণিপাতেন পরিপ্রশ্নেন সেবয়া। উপদেক্ষ্যন্তি তে জ্ঞানং জ্ঞানিনস্তত্ত্বদর্শিনঃ॥ "
একসময় যে জেনারেশন কে আমরা প্রশ্ন করাকে অপরাধ করা মনে করিয়ে বড় করেছি এখন তাদের একাংশ যে সমস্ত প্রশ্ন করা থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে নিয়ে শুধু মাত্র reels এর দুনিয়া তে মুখ ডুবিয়ে থাকবে এতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই। আর বৃহত্তর ক্ষেত্রে তাতে সুবিধে পেয়েছে কিছু মানুষ। ওই যে সেই হীরক রাজার দেশের মতন, "এরা যত বেশি জানে, তত কম মানে"। আসলে শিক্ষার কথা আমরা মুখে বলি মাত্র, কিন্তু কজন প্রকৃত শিক্ষার কদর করি? এখনো , অনেক জায়গাতেই তোমার শিক্ষার কিয়ৎ অংশ জ্ঞান থেকে যদি তোমার চেনা পরিচিত দের কোনো সমস্যার সমাধান দাও তাহলে তোমাকে শুনতে হয় "অনেক বেশি জেনে গেছিস।" "খুব জ্ঞান দিছিস " অর্থাৎ শিক্ষা গ্রহণ করা সম্মানের, কিন্তু সেই শিক্ষাকে কাজে লাগানো অনেকের কাছে বিরক্তিকর। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো—অনেক সময় সেই মানুষদের কাছ থেকেই আমাদের পুঁথিগত শিক্ষা ও ব্যবহারিক জ্ঞান নিয়ে উপদেশ শুনতে হয়, যারা নিজেরাই প্রশ্ন, যুক্তি ও নতুন চিন্তার সবচেয়ে বড় অন্তরায়। তাই জন্যেই সোনাম ওয়াংচুক এর মতন মানুষকে অনশন এর পথ বেছে নিতে হয়। তাই জন্যেই তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার কে তুচ্ছ করে তাঁর মতন সম্মানীয় মানুষকে ঐভাবে তুলে নিয়ে যাবার সাহস দেখানো যেতে পারে। কিন্তু কত আটকাবে? প্রলয় কে আটকানো যায়না। দীর্ঘদিন , বছর ধরে অনেক কিছু ঘটছে। একটার পর একটা ঘটনা , ঘটেই চলেছে , নির্ভয়া, অভয়া , বারুইপুর ঘটনা। ঘটেই চলেছে । রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুড়ি শুরু হয়ে যায় প্রতি ঘটনার পরে। আইন ভাঙা হয়, গড়া হয়, এদল আসে, সে দল যায়, কিছুই হয়না। কিছুই না। কি মনে হচ্ছে? ধর্ষণ আর এই আন্দোলন দুটি ভিন্নবিষয় ? আমার লেখায় আমি গুলিয়ে এক করে ফেলছি? একেবারেই না। আলাদা তাকে আমরা newschannel এর হেডিং এ করতেই পারি কিন্তু দ্রোণ ক্যামেরা দিয়ে কিছুটা ওপরে উঠে গিয়ে যদি ফ্ল্যাশব্যাক এ একটার পর একটা ঘটনাকে পরপর দেখা যায়, একটাই কথা উঠে আসে, অশিক্ষা।।
প্রতিদিনের সমাজে আমরা যে ভয়ঙ্কর ঘটনার শিকার হচ্ছি তার আসল ভীত সেখানেই লুকিয়ে। ছেলে মেয়ে এর মধ্যে প্রচন্ড বৈপরীত্য এর ভাবনা অশিক্ষা না থাকলে আসেনা। মেয়েদের ওপরে প্রচন্ড ঘৃণা ও দমন করার ইচ্ছে না থাকলে ধর্ষণের মতন ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেনা। এখনো আর আগের মতন হয়তো ছেলে মেয়েকে আর আলাদা করে মানুষ করেনা। মেয়েদের কেও সমান সুযোগ দেওয়া হয় ঠিক ই। কিন্তু দৃষ্টি পার্থক্য চলে যায়নি। এখনো অনেক টিনএজ মেয়েকেই যখন সম বয়সের কোনো ছেলে প্রেমপত্র লেখে, তখন অনেক বড় পর্যন্ত ও তাকে সেই নিয়ে কথা শুনতে হয়। দোষ তো মেয়েদের ই তাই না? তারাই কোনোভাবে প্ররোচিত করেছে, নাহলে কি এমন হয়। ধর্ষণ এর মতন বিকৃত ঘটনার জন্যে দায়ী কি শুধুই যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত? না। এর জন্যে দায়ী আমরা সবাই যারা মনে করি, মেয়েদের ছোট জামা কাপড়ের জন্যেই মেয়েরা বিপদ ডেকে আনছে। রাত করে বাড়ি ফিরলো কেন। কোনো মেয়ে একা ঘুরতে গেছে শুনে আমরা যারা এখনো আকাশ থেকে পড়ি। মেয়েরা সোলো ট্রিপ এ যাচ্ছে, বাইরে হোটেল এ থাকছে শুনেই আমরা যারা চোখ গোল করে অন্য মানে খুঁজতে শুরু করে দি, আমরা এখনো যারা মনে করি মেয়ে মানেই তার কোনো ব্যক্তি স্বাধীনতা থাকবেনা, সে বাধ্য কোথায় যাচ্ছে, কি করছে এর প্রতিটা নাড়ীনক্ষত্রের হিসেব নিকেশ বাড়ির লোকেদের দিতে, মেয়ে মানেই যখন তখন তার ব্যক্তিগত স্পেস এ ঢুকে পড়া যাবে, সেই প্রতিটা মানুষ। এখনো ওই আন্দোলন এর বিভিন্ন পোস্ট এর নিচে দেখতে পাচ্ছি "কি মজা ছেলে মেয়ে সবাই মিলে বেশ এক আকাশের নিচে থাকা হচ্ছে ", "এরা নীট এর বানান জানে?" বা "বা বন্ধু বান্ধব মিলে কদিন তো বেশ মজা হচ্ছে, বেশ ক্লাস করতে হচ্ছেনা " এই ধরণের মন্তব্য। এই ধরণের মন্তব্য যারা করছেন তারা কিন্তু বয়স্ক। হয়তো ষাটোর্ধ। পড়ে মনে করতে যাচ্ছিলাম এরা মানুষ ! তারপরেই মনে হলো, বটেই তো। সমাজে এই চিন্তা ভাবনা নিয়ে এখনো কিছু মানুষ আছে বলেই তো এই সব সামাজিক ব্যাধি। আইন করে, শাস্তি দিয়ে, মানুষের অপরাধ প্রবণতা বন্ধ করা যায়না। তোমার মন ; তুমি তাকে নিয়ে পাঁকে নিমজ্জিত হবে নাকি সেই পাঁকে পদ্ম ফুল ফোটাবে সে একান্তই তোমার ব্যক্তিগত অভিরুচি। কিন্তু সেই অভিরুচি দিয়ে collectively একটু একটু করে আর পুরো সমাজের পচন ধরানো বোধয় যাবেনা। এখনো ওই তরুণ রক্তের একটা বড় অংশ প্রশ্ন করতে জানে। নিজেদের শিক্ষার জন্যে, নিজেদের অধিকারের জন্যে নিজেরা লড়াই করতে জানে। কোনো রাজনৈতিক ছত্রছায়া আশ্রয় ছাড়াই তা করতে পারে। এখনো তাদের কে নিয়ে ভাববার জন্যে প্রাজ্ঞ মানুষেরা আছেন। স্যালুট ,মনে হচ্ছে এই প্রজন্ম এবার সত্যি শিক্ষিত সাহসী | নিজের কাছে সৎ থাকলে যে কোনো লাঠি র সামনে দাঁড়ানো যায় | সংহতি এই আন্দোলনের সঙ্গে। দূরে থেকেও পাশে রইলাম।
“এখনি, অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা"...
note: এই লেখা রাজনৈতিক নয়। দয়া করে এর সঙ্গে রাজনৈতিক রাজনৈতিক পক্ষ পাতিত্ব খুঁজতে যাবেননা। একজন responsible ও শিক্ষিত মানুষ হিসেবে যদি এই আন্দোলন কে সমর্থন না করি, তাহলে নিজের কাছেই লজ্জা পেতে হবে। এই লেখা ভেতরের সেই তাগিদ থেকে।

ভালোবাসা খোঁজে নিরাপত্তা- ওয়েন ও মজির অসম্ভব বন্ধুত্বের গল্প

ওয়েন ও মজির গল্প: কেনিয়ার এক ছোট জলহস্তী ও এক বৃদ্ধ কচ্ছপের অসাধারণ বন্ধুত্ব দুর্যোগ   ২০০৪ সালের  ২৬ ডিসেম্বর , ভারত মহাসাগরের গভীরে একটি...