Wednesday, 5 August 2026

GOd Help them who help themselves . ভগবান তাকেই সাহায্য করে, যে নিজে নিজেকে সাহায্য করে

 আমাদের জীবনে অনেক রকম phase আসে। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রত্যেক মুহূর্তের নিজস্ব কিছু কারণ থাকে, কিছু purpose যা অনেক পরে আমরা বুঝতে পারি। কখনো পারি আবার কখনো হয়তো পারিনা , কিন্তু থাকে। আজ শুনবো এমন একজনের কাহিনী, যাঁর তৈরি চরিত্র আজ আমাদের সবার চেনা, কিন্তু এই মানুষটি ই একসময় দীর্ঘ সময় ধরে clinical ডিপ্রেশন এর মধ্যে দিয়ে চলেছিলেন। একাকী। শুধু যে নিজে একা চলছিলেন তাই নয়, এই াক চলার সময় তাঁর ওপরে ছিল আরো এক ছোট্ট মানুষের দায়িত্ব। তাঁর মেয়ে। যে এতই ছোট্ট যে এই পৃথিবীতে শুধুই তার মাকে চেনে। এমন অবস্থায় কি করলেন তিনি? ঘুরে দাঁড়ালেন। পৃথিবী আর একবার প্রমান করলো সেই বিখ্যাত উক্তি কে , GOd Help them who help themselves . ভগবান তাকেই সাহায্য করে, যে নিজে নিজেকে সাহায্য করে।  আজ শুনবো হ্যারি পটার এর স্রষ্টা J K Rowling এর জীবনের সেই কাহিনী। Rowling বড় হয়েছিলেন England -Wales boarder এর এক ছোট্ট গ্রামে। ছোট থেকেই তাঁর লেখার শখ ছিল। ৬ বছর বয়সে Rabbit বলে এক ছোট্ট খরগোশের গল্প দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু , পরে তাঁর ১১ বছরে তিনি প্রথম নভেল লেখেন। এর পরে তিনি ফ্রেঞ্চ নিয়ে পড়াশুনো করেন। ১৯৯০ সালে তাঁর মায়ের মৃত্যুর পরে তিনি পর্তুগাল এ চলে যান। তিনি বিয়ে করেন ও তাঁর মেয়ে জেসিকার জন্ম হয় সেখানেই। তাঁর সেই বিবাহ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বিচ্ছেদের পর তিনি ছোট মেয়েকে নিয়ে আবার ইংল্যান্ডের edinghbara শহরে ফিরে আসেন। এই সময়ে তিনি এক ভয়ঙ্কর কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছিলেন। চাকরি ছিলোনা, অর্থনৈতিক কষ্ট, এছাড়া আমরা যাঁরা মা তাঁরা জানি একজন ছোট্ট মানুষ কে বড় করা খুব সহজ কথা নয় আর সেখানে একা হাতে একজন সিঙ্গেল mother হয়ে তাকে baro করা যে কতটা কঠিন তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। মানসিক ভাবে তিনি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। দীর্ঘ না ঘুম, প্যারেন্টিং এর অবিছেদ্ধ্য অঙ্গ রাত জাগা , সঙ্গে ভীষণ একাকিত্ব, তার সঙ্গে লণ্ডন এর মারাত্মক শীতল , গ্লুমি weather , একাকী ঘরে ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে তিনি ক্রমশ ডুবে যাচ্ছিলেন অবসাদের অন্ধকারে।  এমন ই একসময়, একদিন ম্যানচেস্টার থেকে লন্ডন যাওয়ার রাস্তায় ট্রেনে তাঁর মাথায় আসে হ্যারি - এলোমেলো কালো চুল এর , গোল চশমা পড়া,  কপালে বজ্রপাতের মতো দাগ থাকা , এক ভীষণ লোনলি এক শিশু, যে হটাৎ জানতে পারে সে আসলে একজন জাদুকর। তাঁর কাছে তখন কোনো কাগজ কলম ছিলোনা, আর লজ্জায় তিনি কাউকে চাইতেও পারেননি তখন তা, শুধু নিজের ভাবনার স্রোতে নিজেকে ছেড়ে দিয়েছিলেন, একের পর এক মনের মধ্যে তৈরি হয়েছে  চরিত্রগুলো—হ্যারি, রন, হারমায়োনি, তাঁদের স্বভাব, বন্ধুত্ব, হগওয়ার্টসের পুরো জাদুর আশ্চর্ষ সে জগত। রাউলিং পরে বলেছিলেন, হ্যারি যেন হঠাৎ করেই তাঁর মনের মধ্যে এসে উপস্থিত হয়েছিল। তাঁর প্রথম দিনের প্রথম কিছু চরিত্র ন্যাপকিনের দেওয়ালেই প্রথম লিপিবদ্ধ হয়। এর পরের প্রায় পাঁচ বছর তিনি তাঁর সেই প্রিয় জাদুগরকে গড়ে তুলতে থাকেন, এক ছোট্ট একাকী শিশু যে সিঁড়ির কোণে থাকতো, একাকী , অন্ধকারে, সে নিজের ভেতরের অসীম ক্ষমতা উপলব্ধি করে কিভাবে ধীরে ধীরে একদিন খুঁজে পে তার পরিবার, গড়ে তুললো বন্ধুত্ব। ভয়ের বদলে সাহস এর লড়াই, ক্ষমতার বদলে ভালোবাসার শক্তি দিয়ে গড়েউঠলো তার চারপাশের জগৎ। পরবর্তী কালে তিনি বলেছিলেন, সেই সময় তাঁর জীবন ছিল খুব কঠিন, কিন্তু লেখালেখি তাঁকে আশা ও বেঁচে থাকার শক্তি দিয়েছিল।ঠান্ডা ঘরের একাকী অন্ধকার থেকে পালিয়ে দিনের অনেক সময় কখনো  তিনি ক্যাফেতে বসে হ্যারি পটার লিখতেন, আর তাঁর ছোট মেয়ে পাশের স্ট্রলারে ঘুমাত। এই সময়ের সঙ্গে জড়িত একটি বিখ্যাত স্থান হলো The Elephant House, যেখানে তিনি হ্যারি পটারের প্রথম দিকের বেশ কিছু অংশ লিখেছিলেন।

১৯৯৫ সালে তাঁর প্রথম বই Harry Potter and the Philosopher's Stone এর পাণ্ডুলিপি শেষ করার পর রাউলিং বিভিন্ন প্রকাশকের কাছে সেটি পাঠান। কিন্তু বারবার প্রত্যাখ্যাত হন। প্রায় এক ডজন প্রকাশক তাঁর লেখা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। অবশেষে Bloomsbury Publishing বইটি প্রকাশ করতে রাজি হয়। কথিত আছে, প্রকাশনা সংস্থার পরিচালকের ছোট মেয়ে প্রথম কয়েকটি অধ্যায় পড়ে এতটাই পছন্দ করেছিল যে সে বইটি প্রকাশ করার জন্য উৎসাহ দেয়। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম বই: Harry Potter and the Philosopher's Stone. তাঁর আসল নাম J Rowling , K  তাঁর দিদিমায়ের নামে। এই পিতৃতান্ত্রিক সমাজে পাবলিশার্স রা কিছুটা সন্দিহান ছিলেন এই নিয়ে যে একজন মহিলা লেখিকার লেখা গল্প যুবক সমাজে সমাদৃত হবে কিনা। তাঁরা অনুরোধ করেন তাঁকে তাঁর নিজের নাম Joanna ব্যবহার না করে নামের ইনিশিয়ালস ব্যবহার করাতে , তাই তিনি J K লিখতে শুরু করেন।

হ্যারি পটার এর সৃষ্টি ও তাঁর স্রষ্টার অপূর্ব দৃষ্টান্ত আমাদের সামনে তুলে ধরে ভেঙে না পড়ার এক অমোঘ কাহিনী। শেখায়, জীবনে বড় কিছু করতে গেলে ছোটোখাটো কষ্ট নিয়ে অভিযোগ না করে তাকে উপেক্ষা করতে হয়। নিজেকে নিয়োজিত করতে হয় এমন কিছুতে যাতে তুমি সবচেয়ে ভালো আর সবচেয়ে ভালো থাকো। কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়েই হয়তো বড় সৃজনশীলতার ভীত লুকিয়ে থাকে। যা সহযেই করা যায়, পাওয়া যায়, যার মধ্যে কোনো চ্যালেঞ্জ থাকেনা, তা অনেক সময় ই বড় কিছু পেতেও দেয়না। rouling ভেঙে পড়তে পারতেন তাঁর জীবনের কঠিন সময়ে। কোনোরকমে মেয়েকে বড় করতে করতে আজীবন নিজের ভাগ্যকে দোষারোপ আর আক্ষেপ করতেই পারতেন। কিন্তু তিনি তাই নিয়ে থেমে থাকেননি , অভিযোগ করলেই শুনবেই বা কে সে অভিযোগ। অভিযোগ না করে , নিজেকে টেনে বের করে এনেছেন নিজেই। হ্যারি পটার লেখার পরে প্রায় গোটা পৃথিবী জুড়ে প্রায় কয়েকশো মিলিয়ন কপি বিক্রি হয় এই বই এর। এই লেখা ইতিহাসে এক সফল সাহিত্যকর্ম। লক্ষ লক্ষ মানুষ তাঁর গল্পে সাহস, আশা এবং সান্ত্বনা খুঁজে পেয়েছে। হ্যারি পটার এমন একজন মানুষের সৃষ্টি, যিনি নিজে একাকীত্ব ও কষ্টের স্বাদ পেয়েছিলেন। আর সেই কারণেই তিনি এমন একটি জগত তৈরি করেছিলেন, যেখানে কোনো শিশুকে কখনও সম্পূর্ণ একা মনে হয় না। হ্যারি পটার গল্পের শুরু হয় এমন একটি শিশু নিয়ে, যাকে কেউ ভালোবাসত না এবং যে সিঁড়ির নিচে ছোট একটি অন্ধকার ঘরে থাকত। কিন্তু পরে সে আবিষ্কার করে যে তার নিজের একটি মূল্য আছে, তারও একটি জায়গা আছে পৃথিবীতে।আর এই অনুভূতি ই বিশ্বের মন জয় করে নিয়েছিল। একজন প্রত্যাখ্যাত, সংগ্রামী লেখিকার কল্পনা শেষ পর্যন্ত পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের জন্য আশার আলো হয়ে উঠেছিল। যখন কঠিন পরিস্তিতি আসে, তখন অনেক সময় ই আমাদের মনে হয় ইসঃ, বেশ ম্যাজিক হতো কিছু একটা আমাদের জীবনে। কিন্তু জাদুর ছড়ি হাতে উঠে আসেনা। ম্যাজিক আসলে হয়না , সেই সব ম্যাজিক আসলে লুকিয়ে থাকে, আমাদের ই মধ্যে। আমাদের মননে, কর্মে, প্রতিফলিত হয় সেই জাদুর ছড়ি। যত beautifully  আর gracefully আমরা আমাদের চারপাশের সমস্ত জটিলতাকে সমাধান করতে পারি, তত বড় জাদুকর হয়ে উঠতে পারি আমরা। লেটস ওয়েলকাম this ম্যাজিক ওয়ার্ল্ড। 





GOd Help them who help themselves . ভগবান তাকেই সাহায্য করে, যে নিজে নিজেকে সাহায্য করে

 আমাদের জীবনে অনেক রকম phase আসে। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রত্যেক মুহূর্তের নিজস্ব কিছু কারণ থাকে, কিছু purpose যা অনেক পরে আমরা বুঝতে পারি। কখ...